বিয়ের আট বছর পর  আদুরী বেগম আশা ও মনিরুজ্জামান বাঁধন দম্পতির চার সন্তান জন্মের পর মারা গেছে একজন। বুধবার (২৩ মার্চ) দুপুরে মারা যায় ছেলে সন্তানটি। বাকি তিন মেয়ে শিশুও রয়েছে নিবিড় পর্যবেক্ষণে।
ওই শিশুদের চিকিৎসার দায়িত্বে থাকা রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক মনিকা মজুমদার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে শিশুটি মারা গেছে। তার ওজন ছিল ১ কেজি ৩০০ গ্রাম। বাকি শিশুদেরও ওজন কম। তাদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। কিন্তু ৪৮ ঘণ্টার আগে কিছু বলা যাচ্ছে না।
মঙ্গলবার (২২ মার্চ) রাত সাড়ে নয়টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তিন মেয়ে ও এক ছেলে সন্তানের জন্ম দেন আদুরী বেগম আশা। জন্মের পর ওই চার নবজাতককে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। আদুরী বেগম আশা কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার নাদিরা গ্রামের মনিরুজ্জামান বাঁধনের স্ত্রী। বাঁধন পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে কর্মরত।
হাসপাতাল ও ওই নারীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, কুড়িগ্রাম  সদর উপজেলার নাদিরা গ্রামের মনিরুজ্জামান বাঁধনের সঙ্গে ৮ বছর আগে বিয়ে হয় আদুরী বেগম আশার। দীর্ঘ ৮ বছরেও তাদের কোনো সন্তান জন্ম হয়নি। পরে চিকিৎসা গ্রহণের পর আদুরী বেগম অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। গত ১ মার্চ আল্ট্রাসনোগ্রাম  পরীক্ষায় দেখা যায়, তার গর্ভে ৪টি সন্তান রয়েছে। মঙ্গলবার সকালে  প্রসববেদনা উঠলে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। পরে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে রাত সাড়ে নয়টার দিকে চার সন্তানের জন্ম দেন আশা।

Leave a Reply

Your email address will not be published.